বাংলায় একটি প্রবাদ আছে “পৃথিবীতে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর”।
এই ডিজিটাল যুগে নারীরা কোনভাবে পিছিয়ে নেই। পুরুষদের সাথে তাল মিলিয়ে তারাও বিভিন্নভাবে সফলতা অর্জন করছে এবং এগিয়ে যাচ্ছে।
বর্তমান যুগে মেয়েদের মধ্যে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর তাই নিজের একটি ব্যবসা শুরু করার মাধ্যমে অনেক নারীই হয়ে উঠছেন উদ্যোক্তা।
আজকে আমরা ডিজিটাল যুগে বাংলাদেশের মেয়েদের উদ্যোক্তা হওয়ার উপায়, সুযোগ সুবিধা, বাধা বা প্রতিবন্ধকতা, সফলতা পাওয়ার উপায় এ সকল বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করব।
নারী উদ্যোক্তা হওয়ার উপায়
একজন নারী উদ্যোক্তা হওয়ার অনেক উপায় আছে যা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে সফলতা নিশ্চিত।
নারী উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য নিজের লক্ষ্য ও দক্ষতা শনাক্ত করা, নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলা, ব্যবসার পূর্ব পরিকল্পনা করা, দক্ষতা অর্জন করা, নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি করা, নিজের পরিচয় তৈরি করা ইত্যাদি উপায় অবলম্বন করতে হবে।
চলুন জেনে নেয়া যাক নারী উদ্যোক্তা হওয়ার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তথ্য। সেই সাথে নারী উদ্দ্যোক্তা হতে সম্পূর্ণ গাইডলাইন প্রাকটিক্যালি পেতে ঘুড়ি লার্নিং এর এই কোর্সটি (Women in Entrepreneurship) বেশ কার্যকরী। দ্রুত সফল আজই যুক্ত হোন এবং সাবক্রিপশনের মাধ্যমে কম খরচে সকল কোর্সের এক্সেস নিতে পারেন।

১. লক্ষ্য ও দক্ষতা শনাক্ত করুন
নারী উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রথমেই নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আপনার আগ্রহ, শক্তি ও দক্ষতা শনাক্ত করতে হবে।
আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কিভাবে ব্যবসায় সফল হতে পারবেন তা নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা করুন এবং সঠিকভাবে আপনার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন।
২. নিজেকে আত্নবিশ্বাসী করে তুলুন
উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আত্মবিশ্বাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারণ যতক্ষণ না আপনি নিজের উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে পারবেন ততক্ষণ আপনি কোন কিছুই করতে পারবেন না।
ব্যবসার সফল হওয়ার জন্য এবং আপনার লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে আত্নবিশ্বাসী হতে হবে।
নিজের দক্ষতা, আগ্রহ, অভিজ্ঞতা ও শক্তির উপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করে নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে পারলে উদ্যোক্তা জীবনে সফলতা পাওয়া সম্ভব ।
৩. ব্যবসায়ীক পরিকল্পনা তৈরি করুন
উদ্যোক্তা হওয়ার পূর্বে অবশ্যই আপনার ব্যবসার সকল বিষয় সম্পর্কে একটি পূর্ব পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।
আপনার ব্যবসাটি অনলাইন ভিত্তিক হবে নাকি অফলাইনে, কি ধরনের পণ্য নির্বাচন করতে হবে, মূল্য নির্ধারণের কৌশল, গ্রাহকদের চাহিদা বোঝা, কি ধরনের অফার দেয়া যেতে পারে ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।
একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে আপনার ব্যবসা শুরু করার পূর্বে ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৪. দক্ষতা অর্জন করুন
একজন উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হয় যেমন – কৌশলগত পরিকল্পনা, নেতৃত্ব, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পণ্যের মার্কেটিং করা বা পরিচিত বাড়ানো, সঠিকভাবে গ্রাহক সেবা দেয়া, বিক্রয় করার কৌশল ইত্যাদি।
ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত এই সকল ধরনের দক্ষতা সম্পর্কে জেনে এবং এসকল দক্ষতা অর্জন করেই একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা উচিত।
৫. মেন্টরশিপ সন্ধান করুন
সফলভাবে একজন নারী উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে মেন্টরশিপ ও নেটওয়ার্কিং সুযোগের সন্ধান করতে হবে।
এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত নারীর উদ্যোক্তাদের সাথে অথবা অভিজ্ঞ পেশাদারদের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে হবে এবং তাদের পরামর্শ, নির্দেশিকা ও সমর্থন পাওয়ার জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে।
অভিজ্ঞ ও সফল মেন্টরদের সাথে সুসম্পর্ক নিশ্চিত করার জন্য এবং পরিচিতির প্রসার ঘটানোর জন্য আপনি বিভিন্ন সম্মেলন, ইভেন্ট এবং মিট আপে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

৬. ঋণ বা অনুদান গ্রহন করুন
একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ বা অনুদান গ্রহণ করতে হতে পারে।
অধিকাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন উদ্যোক্তাদের ছোট ব্যবসার লোন বা অনুদান দিয়ে থাকে।
তবে আপনার কাছে যদি যথেষ্ট সঞ্চয় থাকে তাহলে আপনি যেকোনো ধরনের ঋণ বা অনুদান গ্রহণ করা ছাড়াই আপনার ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন।
৭. ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিন
ব্যর্থতা সফলতারই একটি অংশ। সফলতা পাওয়ার জন্য জীবনের প্রতিটি ব্যর্থতা থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
উদ্যোক্তা জীবনে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে ব্যর্থতা আসবেই যা খুবই স্বাভাবিক।
তবে এই ব্যর্থতা গুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং এই শিক্ষাগুলোকে কাজে লাগিয়ে সফলতা অর্জন করতে হবে।
তাই নারীর উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রে যে কোন বিষয়ে ব্যর্থতা এলে নিরাশ হওয়া যাবে না বরং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সফলতা অর্জন করার চেষ্টা করতে হবে।
৮. নিজের পরিচয় তৈরি করুন
একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য যে সকল বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন সে সকল বিশেষ সম্পর্কে আমরা এতক্ষণ জানলাম।
এই সকল বিষয় এবং আপনার নিজস্ব দক্ষতা কাজে লাগিয়ে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের পরিচয় তৈরি করতে হবে।
নিজের পরিচয় তৈরি করার জন্য অবশ্যই আপনাকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং উদ্যোক্তা জীবনে কঠোর পরিশ্রম করে সময় ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে।
এভাবেই বর্তমানে নারীরা দক্ষতা ও কঠোর পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে নিজের পরিচয় তৈরি করে সমাজে এগিয়ে যাচ্ছে যা খুবই প্রশংসনীয়।
উদ্যোক্তা হওয়ার পথে বাধা
বর্তমানে বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তা ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পেলেও তাদের অগ্রগতিতে কিছু প্রতিবন্ধকতা বা বাধা থেকেই গেছে।
বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তাদের সফল হওয়ার জন্য বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ ও বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
কিন্তু তবুও এই বাধা বা প্রতিবন্ধকতা নারী উদ্যোক্তাদের দমিয়ে রাখতে পারে নি।
চলুন জেনে নেয়া যাক নারী উদ্যোক্তা হওয়ার পথে কি কি বাধা বা প্রতিবন্ধকতা আসতে পারে।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সীমাবদ্ধতা এবং লিঙ্গ বৈষম্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথে একটি বড় চ্যালেঞ্জ বা প্রতিবন্ধকতা ।
নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পুজি হিসেবে লোন বা অনুদান নেয়া খুব একটা সহজ বিষয় নয়। এক্ষেত্রে আর্থিক সচ্ছলতার অভাবও একটি বড় প্রতিবন্ধকতা।
ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জন করার জন্য বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গুলো খুবই সীমিত যা সফলভাবে ব্যবসা শুরু এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে বাধা।
অধিকাংশ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো পুরুষ কেন্দ্রিক হওয়ায় নারীদের নেটওয়ার্কিং এবং মেন্টরশীপের সুযোগ খুবই সীমিত যা উদ্যোক্তা হওয়ার পথে অন্তরায়।
পরিবার ও ব্যবসায়িক দায়িত্বের ভারসাম্য বজায় রাখা নারী উদ্যোক্তাদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিবন্ধকতা যা তাদের ব্যবসায় মনোযোগ এবং কাজ করার ক্ষমতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
শহরাঞ্চলে নারীরা শিক্ষা ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও গ্রামাঞ্চলে নারীদের নিরক্ষরতার হার বেশি যা উদ্যোক্তা হওয়ার পথে অনেক বড় একটি বাধা।
উপরোক্ত প্রতিবন্ধকতা গুলো ছাড়াও সমাজে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার ক্ষেত্রে আরো বিভিন্ন ধরনের বড় বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয় বাংলাদেশের নারীদের।
একজন নারী উদ্যোক্তার সুযোগ ও সম্ভাবনা
বর্তমানে একজন নারী উদ্যোক্তা হওয়ার পথে বিভিন্ন ধরনের বাধা ও প্রতিবন্ধকতা থাকলেও, অনেক সুযোগ ও সম্ভাবনাও রয়েছে।
দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে একজন নারী উদ্যোক্তার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে যা উদ্যোক্তা জীবনে সফলতা পেতে সাহায্য করে।

একজন নারী উদ্যোক্তার যে সকল সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে তা হলো –
নারীর উদ্যোক্তারা ক্রমবর্ধমান বাজারের চাহিদা মিটানোর জন্য ফ্যাশন, সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য সেবা শিক্ষা ইত্যাদি শিল্পে অংশগ্রহণ করতে পারছে যা খুবই লাভজনক।
দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতে নারী উদ্যোক্তারা বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। ফলে সরকার নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং তা বাস্তবায়ন করছে।
নারী উদ্যোক্তারা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিকভাবেও ব্যবসা করার সুযোগ পাচ্ছে যা খুবই প্রশংসনীয়।
নারী উদ্যোগ তারা দেশের অর্থনীতিতে বিশেষভাবে ভূমিকা রাখছে ফলে নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করেও নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে যাওয়ার ফলে তাদের নেটওয়ার্কিং সুযোগ বা পরিচিতি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে যা তাদের সফলতার ক্ষেত্রে বিশেষ উপযোগী।
ই -কমার্স, ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিতে নারীদের প্রবেশাধিকার এবং অগ্রাধিকার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উপরোক্ত বিষয়গুলো ছাড়াও একজন নারী উদ্যোক্তার সুযোগ ও সম্ভাবনা দিন দিন অনেক অংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে যা তাদের সফলতার পথে বিশেষ সহায়ক।
আবারও বলছি, নারী উদ্দ্যোক্তা হতে সম্পূর্ণ গাইডলাইন প্রাকটিক্যালি পেতে ঘুড়ি লার্নিং এর এই কোর্সটি (Women in Entrepreneurship) বেশ কার্যকরী। সেহেতু পেশাদারভাবে শুরু করতে অভিজ্ঞরা এ কোর্সটিতে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহ দেয়। সেই সাথে ঘুড়ি লার্নিং সাবস্ক্রিপশনে অংশগ্রহণ করে খুব কম খরচে সকল কোর্স এক্সেস করতে পারেন।
বাংলাদেশের সফল নারী উদ্যোক্তা
বাংলাদেশে অনেক সফল নারী উদ্যোক্তা রয়েছে যারা এখন স্বাবলম্বী এবং অনেকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছেন।
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা বাংলাদেশের অনেক সফল নারী উদ্যোক্তাদের সহায়ক।
ফেসবুককে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের ঘরোয়া ব্যবসার মাধ্যমে অনেক নারীই এখন বাংলাদেশের সফল নারী উদ্যোক্তা এবং স্বাবলম্বী।
বাংলাদেশের সফল নারী উদ্যোক্তাদের শীর্ষে যার নাম রয়েছে তিনি হলেন আফসানা আক্তার। তিনি “গুটিপোকা” নামক তার নিজস্ব ফেসবুক পেইজ থেকে ক্রাফটিং এর কাজ করে এখন মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করেন।
বাংলাদেশের সফল নারী উদ্যোক্তাদের শীর্ষে রয়েছেন এমন আরেকজনের নাম হলো কানিজ ফারহীন যিনি একজন পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তা।
পোশাকের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ব্যাগ, পার্স, আংটি কানের দুল, বাহারি রং এর মালা ইত্যাদি তার নিজস্ব ফেসবুক পেইজ “ঘূর্ণি বাই পান্থী পেজ” থেকে বিক্রি করেন এবং মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করে এখন তিনি স্বাবলম্বী।
এছাড়াও বাংলাদেশের সফল নারী উদ্যোক্তাদের শীর্ষে আরো অনেক নারী রয়েছে যারা ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ করে, ইউটিউবে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে, ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করে এবং নিজের হাতে তৈরি বিভিন্ন জিনিস বিক্রয় করে আজ সফল নারী উদ্যোক্তা।
এই ডিজিটাল যুগে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের মেয়েরা হয়ে উঠছে একজন উদ্যোক্তা এবং স্বাবলম্বী।
শেষ কথা
বর্তমানে বাংলাদেশের অধিকাংশ নারীরাই পুরুষদের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডে এবং তারা এভাবেই দেশের অর্থনীতিতেও বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে।
দেশের গন্ডী পেরিয়ে তারা আন্তর্জাতিকভাবেও ব্যবসা বানিজ্য করে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের সমাজে আত্মপ্রকাশ করছে।
এই ডিজিটাল যুগে হাজার হাজার সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে এক একজন নারী উদ্যোক্তা এবং বৃদ্ধি পাচ্ছে নারীর ক্ষমতায়ন।