ফাতেমা ব্যাগ হাউস – থানাপাড়া রোটারি চক্ষু হাসপাতাল
- উদ্যোক্তার নামঃ কানিজ ফাতেমা কেয়া
- প্রতিষ্ঠানের নামঃ ফাতেমা ব্যাগ হাউস।
- ব্যবসার ধরনঃ পোশাক ও হস্তশিল্প
ব্যবসার বিস্তারিত
ফাতেমা ব্যাগ হাউস – থানাপাড়া রোটারি চক্ষু হাসপাতাল
আমি প্রায় বিশ বছর যাবত বিজনেস নিয়ে আছি।তবে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্য ধরনের ব্যগ ও থ্রীপিস নিয়ে কাজ করছি।এটা শুরু করেছিলাম, ১৪/৬/১৯থেকে । প্রথম দিকে আমার কোন পুঁজি ছিলনা, যশোরের হাতের কাজের ব্যগ নিয়ে শুরু করেছিলাম।ওখানকার একটা মেয়ে, আমাকে ওখান থেকে বিভিন্ন ধরনের হাতের কাজের ব্যগ তৈরি করে নিয়ে আসতো,আমি সেল করে ওকে টাকা দিতাম ।আমি মুলোত কারখানা থেকে তৈরি করিয়ে পাইকারি প্রাইস এ নিয়ে আসি।তাই আমার নিজস্ব কোন কর্মি নেই।তবে দুজন রিসেলার আছে,যারা আমার ব্যগ ও থ্রীপিস সেল করে।আগের থেকে এখন অনেক বেশি ও অনেক আনকমন ধরনের ব্যগ সেল করছি।আর থ্রীপিস আর হ্যন্ড পেইন্টিং এর শাড়ি নিয়ে, এছাড়া মেয়েদের কিছু গাউন ও সেল করা হয়।তাছাড়া একটা কোম্পানি থেকে চাটনি নিয়ে ও সেল করছি।এইসব নিয়ে অন্ততত পক্ষে প্রায় চার কি পাঁচ ধরনের পণ্য সেল করা হচ্ছে ।পণ্যগুলো সেল করি সাধারণত, বিভিন্য স্কুলে,কোচিং সেন্টারে ।আর বিভিন্ন মেলায়।বিসিক এর মিনি মেলায় ও সেল করা হয়।
- প্রতিষ্ঠানের নামঃ ফাতেমা ব্যাগ হাউস।
- প্রতিষ্ঠানের ঠিকানাঃ কুষ্টিয়া থানাপাড়া চার রাস্তার মোড় এলাকায় রোটারি চক্ষু হাসপাতাল এর পিছনে
- প্রতিষ্ঠার বছরঃ ২০১৯
- কর্মী সংখ্যাঃ 2 জন
- ব্যবসার ধরনঃ পোশাক ও হস্তশিল্প
- ট্রেড লাইসেন্স নংঃ
উৎপাদিত পণ্যসমূহ
আমাদের উৎপাদিত পণ্যসমূহ— বিভিন্ন ধরনের ব্যাগ, বিভিন্ন ধরনের থ্রি পিস, হ্যান্ড পেইন্টিং শাড়ি ।
Whatsapp এ যোগাযোগ করতে পারেন 👉
আমার উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প
আমি প্রায় বিশ বছর যাবত বিজনেস নিয়ে আছি।তবে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্য ধরনের ব্যগ ও থ্রীপিস নিয়ে কাজ করছি।এটা শুরু করেছিলাম, ১৪/৬/১৯থেকে । প্রথম দিকে আমার কোন পুঁজি ছিলনা, যশোরের হাতের কাজের ব্যগ নিয়ে শুরু করেছিলাম।ওখানকার একটা মেয়ে, আমাকে ওখান থেকে বিভিন্ন ধরনের হাতের কাজের ব্যগ তৈরি করে নিয়ে আসতো,আমি সেল করে ওকে টাকা দিতাম ।আমি মুলোত কারখানা থেকে তৈরি করিয়ে পাইকারি প্রাইস এ নিয়ে আসি।তাই আমার নিজস্ব কোন কর্মি নেই।তবে দুজন রিসেলার আছে,যারা আমার ব্যগ ও থ্রীপিস সেল করে।আগের থেকে এখন অনেক বেশি ও অনেক আনকমন ধরনের ব্যগ সেল করছি।আর থ্রীপিস আর হ্যন্ড পেইন্টিং এর শাড়ি নিয়ে, এছাড়া মেয়েদের কিছু গাউন ও সেল করা হয়।তাছাড়া একটা কোম্পানি থেকে চাটনি নিয়ে ও সেল করছি।এইসব নিয়ে অন্ততত পক্ষে প্রায় চার কি পাঁচ ধরনের পণ্য সেল করা হচ্ছে ।পণ্যগুলো সেল করি সাধারণত, বিভিন্য স্কুলে,কোচিং সেন্টারে ।আর বিভিন্ন মেলায়।বিসিক এর মিনি মেলায় ও সেল করা হয়।